| নং | শিরোনাম | ইতিহাস | ধরণ | ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছবি | প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম | প্রতিষ্ঠান প্রধানের পদবি | প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফোন | প্রতিষ্ঠান প্রধানের মোবাইল | প্রতিষ্ঠান প্রধানের ইমেইল | প্রতিষ্ঠান প্রধানের ছবি | যোগাযোগ | কার্যকলাপ |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| | | |||||||||||
| ১ | ০৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের আশ্রম এর তালিকা। | আশ্রম
এই ইউনিয়নে আশ্রমস্থল নেই। অদ্বৈত আশ্রম, মায়াবতী রামকৃষ্ণ মঠের একটি শাখা। ১৮৯৯ সালের ১৯ মার্চ স্বামী বিবেকানন্দের নির্দেশে তাঁর দুই শিষ্য ক্যাপ্টেন জেমস হেনরি সেভিয়ার ও তাঁর স্ত্রী শার্লট সেভিয়ার অদ্বৈত আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন।[২][৩] অদ্বৈত আশ্রম অদ্বৈত বেদান্ত গবেষণা ও অনুশীলনের কেন্দ্র। স্বামী বিবেকানন্দের আদেশ অনুসারে এই আশ্রমে কোনো রকম মূর্তি রাখা বা পূজা করা নিষিদ্ধ,[৪] এমনকি রামকৃষ্ণ পরমহংসের ছবি বা মূর্তিও এখানে রাখা হয় না।[৫] বর্তমানে স্বামী বিবেকানন্দের মূল রচনাগুলির প্রচারের দায়িত্ব অদ্বৈত আশ্রমের উপর ন্যস্ত।[৩] অদ্বৈত আশ্রমের অপর নাম মায়াবতী আশ্রম।[৬][৭] অধুনা উত্তরাখণ্ড রাজ্যের চম্পাবত জেলার চম্পাবত থেকে ২২ কিলোমিটার ও লোহাঘাট শহর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে ১৯৪০ মিটার উচ্চতায় আশ্রমটি অবস্থিত।[৬] আশ্রমের কলকাতা শাখাটি রামকৃষ্ণ সংঘের ইংরেজি ও হিন্দি ভাষার বইয়ের একটি অন্যতম প্রধান প্রকাশনা কেন্দ্র। মায়াবতীতে অদ্বৈত আশ্রম একটি দাতব্য হাসপাতালও চালায়। আশ্রমের মুখ্য প্রকাশনাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য দ্য কমপ্লিট ওয়ার্কস অফ স্বামী বিবেকানন্দ (ইংরেজিতে), স্বামী বিবেকানন্দের রচনাসমগ্রের হিন্দি অনুবাদ, দ্য লাইফ অফ স্বামী বিবেকানন্দ ও গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলির ইংরেজি অনুবাদ। অদ্বৈত আশ্রমের কিছু প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এখন মাইক্রোফিল্মের আকারে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় চারুকলা কেন্দ্রে সংরক্ষিত আছে।[৮] ইতিহাসইতিপূর্বে ১৮৯৫ সালে ইংল্যান্ডে স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে ক্যাপ্টেন জেমস হেনসি সেভিয়ার ও তাঁর স্ত্রী শার্লট এলিজাবেথ সেভিয়ারের আলাপ হয়। ক্যাপ্টেন সেভিয়ার পাঁচ বছর ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেছিলেন।[৯] ১৮৯৬ সালে নয় মাস সেভিয়ার-দম্পতি স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও ইতালি ভ্রমণ করেন। তাঁদের সঙ্গে আল্পস পর্বতমালায় ভ্রমণের সময় স্বামী বিবেকানন্দের মনে ভারতে অনুরূপ একটি স্থানে বেদ-চর্চার কেন্দ্র স্থাপনের ইচ্ছা জাগে।[১০] তাই ১৮৯৬ সালের ডিসেম্বর মাসে সেভিয়ার-দম্পতি স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে ইতালির নেপলস থেকে একটি স্টিমারে চড়ে সোজা ভারতে চলে আসেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল আলমোড়ার কাছে কোনো একটি জায়গা খুঁজে নিয়ে আশ্রম স্থাপন করা।[১১] ১৮৯৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁরা মাদ্রাজে এসে পৌঁছান।[১২] এরপর বিবেকানন্দ কলকাতা অভিমুখে যাত্রা করেন, সেভিয়ার-দম্পতি যান আলমোড়ায়। সেখানে একটি বাংলো ভাড়া করেন।[১৩] পরের দুই বছর সেভিয়ার-দম্পতির সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দও এই বাংলোয় বাস করেছিলেন। বিবেকানন্দ যখন কাশ্মীর ভ্রমণে গিয়েছিলেন, সেই সময় সেভিয়ার-দম্পতি বিবেকানন্দের সন্ন্যাসী-শিষ্য স্বামী স্বরূপানন্দকে নিয়ে উত্তরাখণ্ডের পার্বত্য অঞ্চলে আশ্রমের উপযুক্ত স্থান নির্বাচনে বের হন। ১৮৯৮ সালের জুলাই মাসে তাঁরা একটি জায়গার সন্ধান পান। জায়গাটি সেই সময় ছিল একটি চা-বাগানের অংশ। এখানেই ঘন দেবদারু, পাইন ও ওক বনের মধ্যে স্বামী স্বরূপানন্দের সাহায্যে আশ্রম স্থাপিত হয়।[১৪] একই সময় কলকাতায় বেলুড় মঠ স্থাপিত হয়েছিল।[১৫] ১৮৯৮ সালের মাঝামাঝি মাদ্রাজে প্রবুদ্ধ ভারত পত্রিকার সম্পাদকের অকালমৃত্যুতে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। স্বামী বিবেকানন্দের অনুরোধে সেভিয়ার দম্পতি পত্রিকাটি পুনরুজ্জীবনে এগিয়ে আসেন। স্বামী স্বরূপানন্দকে পত্রিকার সম্পাদক নিযুক্ত করা হল। ১৮৯৯ সালের ১৯ মার্চ, রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্মদিনে স্বরূপানন্দকেই আশ্রম-প্রধান করে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল অদ্বৈত আশ্রম।[১৬] ১৯০৬ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত স্বরূপানন্দ এই যুগ্ম দায়িত্ব পালন করেছিলেন।[১৭][১৮][১৯] আশ্রম প্রতিষ্ঠার সময় ১৮৯৯ সালের মার্চ মাসে স্বামী বিবেকানন্দ একটি চিঠিতে আশ্রমের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে লেখেন: "...To give this ONE TRUTH a freer and fuller scope in elevating the lives of individuals and leavening the mass of mankind, we start this Advaita Ashrama on the Himalayan heights, the land of its first expiration. Here it is hoped to keep Advaita free from all superstitions and weakening contaminations. Here will be taught and practised nothing but the Doctrine of Unity, pure and simple; and though in entire sympathy with all other systems, this Ashrama is dedicated to Advaita and Advaita alone." [২০] ১৯০০ সালের ২৮ অক্টোবর ক্যাপ্টেন সেভিয়ারের মৃত্যু হয়। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, স্থানীয় সারদা নদীর তীরে তাঁকে হিন্দু মতে দাহ করা হয়।[১০][১৭] শোকাতুরা শ্রীমতী সেভিয়ারকে সান্ত্বনা দিতে ১৯০১ সালের ৩-১৮ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দ আশ্রমে অবস্থান করেন।[২১][২২] ক্যাপ্টেন সেভিয়ারের থাকার জায়গাটি গ্রন্থাগারে পরিণত করা হয়।[১৪] শ্রীমতী সেভিয়ারও বেশ কয়েক বছর সেই আশ্রমে বাস করেছিলেন। প্রকাশনাঅদ্বৈত আশ্রম অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি ও হিন্দি বইয়ের প্রকাশক। রামকৃষ্ণ মিশনের সবচেয়ে পুরনো পত্রিকা প্রবুদ্ধ ভারত-ও অদ্বৈত আশ্রমই প্রকাশ করে থাকে। আশ্রমে প্রকাশিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বই হল: প্রবুদ্ধ ভারত, মার্চ ১৮৯৭ সংখ্যা
অধ্যক্ষঅদ্বৈত আশ্রমের প্রথম তিন অধ্যক্ষ ছিলেন প্রবুদ্ধ ভারত-এর সম্পাদক। তারপর থেকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি অধ্যক্ষ ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৯ সাল থেকে আশ্রম অধ্যক্ষকে প্রবুদ্ধ ভারত-এর সম্পাদক এবং সম্পাদককে যুগ্ম সম্পাদক বলা হতে থাকে। ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আশ্রম অধ্যক্ষ পরিচিত হন ব্যাবস্থাপক সম্পাদক বা ম্যানেজিং এডিটর ও যুগ্ম সম্পাদক পরিচিত হন সম্পাদক নামে। | | দদদ | অধ্যক্ষ | 01710870244 | | | দেখুন | |||
| ২ | ০৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের কবরস্থান এর তালিকা। |
কবরস্থান
সারপুকুর ইউনিয়নের কবরস্থান এর তালিকা কবর হলো মৃতদেহ মাটিতে পুতেঁ রাখার গর্ত। মৃত মানুষকে কবরে শায়িত করাকে বলা হয় "দাফন করা"। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদীদের মৃতদেহ মাটিতে দাফন করা হয়। অন্যদিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে হিন্দুদের মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম(আ:) ছেলে কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে কবর দিয়েছিল। এটিই পৃথিবীর প্রথম কবর | মোঃ সফিকুল ইসলাম | সভাপতি | 01717570310 | | দেখুন | |||||
| ৩ | ০৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের ঈদগাহ মাঠ এর তালিকা। | ঈদগাহ
ইতিহাস১৭০০ সালে প্রথম দশকে সিলেটের তদানীন্তন ফৌজদার ফরহাদ খাঁ নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে, তদারকি ও তত্বাবধানে এটি নির্মাণ করেন। প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে এখানে বিশাল দুটি ঈদ জামাত অনুষ্টিত হয় এবং প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ মুসল্লী এক সাথে এখানে ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন। উলেখ্য যে, সিলেট শহরের এ স্থানটি নানাহ কারণে মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ও স্মরণীয়। ১৭৭২ সালে ইংরেজ বিরোধী ভারত - বাংলা জাতীয়তাবাদীর প্রথম আন্দোলন সৈয়দ হাদী ও মাদী কর্তৃক এই ঈদগাহ মাঠেই শুরু হয়েছিল। অতীতে সিলেটের বড় বড় সমাবেশের স্থান ছিল এটি। এখানে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধী, কায়দে আযম, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, মাওলানা মোহাম্মদ আলী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকের মতো নেতারা এসেছেন এবং ইংরেজ বিরোধী গণ আন্দোলের আহবান জানিয়েছেন। যে কারণ এ স্থাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ত অনেক। পরিক্রমাএকটি উচ্চ্য টিলার উপর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এই শাহী ঈদগাহ অবস্থিত। মুল ভূ-খন্ডে কারুকার্যখচিত ২২টি বৃহৎ সিঁড়ি রয়েছে। সিঁড়ি মাড়িয়ে উপরে উঠলে ১৫টি গম্বুজ সজ্জিত ঈদগাহ দেখা যায়। ঈদগাহের প্রাচীর সীমার চার দিক ঘিরে রয়েছে ছোট বড় ১০ টি গেইট। ঈদগাহের সামনে মুসল্লীদের অজুর জন্য রয়েছে বিশাল পুকুর । ঈদগাহের উত্তরে শাহী ঈদগাহ মসজিদ, পাশে সুউচ্চ টিলার ওপর বন কর্মকর্তার বাংলো, দক্ষিণে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিলেট কেন্দ্র, পূর্ব দিকে হযরত শাহজালাল(র:) এর অন্যতম সফরসঙ্গী শাহ মিরারজী (রা:) এর মাজারের পাশের টিলার ওপর রয়েছে সিলেট আবহাওয়া অফিস। | আজিজুল ইসলাম প্রধান | সভাপতি | 01710870244 | | দেখুন | |||||
| ৪ | ০৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের মন্দির এর তালিকা। | সারপুকুর ইউনিয়নের মন্দির এর তালিকা মন্দির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়। হিন্দু মন্দির একটি পৃথক স্থাপনা বা অন্য কোনো স্থাপনার অঙ্গরূপে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। মন্দিরের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল মূর্তির উপস্থিতি। সাধারণত যে দেবতার মন্দির, মন্দিরের কেন্দ্রে সেই দেবতার মূর্তি স্থাপিত হয়। মন্দিরে প্রধান দেবতার পাশাপাশি অন্যান্য দেবতাও পূজিত হতে পারেন। অবশ্য কোনো কোনো মন্দির একাধিক দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত হয়। আবার কোথাও কোথাও মূর্তির বদলে প্রতীকের পূজা হয়ে থাকে। | অমলেন্দু ভট্টাচার্য | সভাপতি | 01710871607 | | দেখুন | |||||
| ৫ | ০৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের মসজিদ এর তালিকা। | মসজিদ
সারপুকুর ইউনিয়নের মসজিদ এর তালিকা মসজিদ মুসলমানদের দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য নির্মিত স্থাপনা। শব্দটির উৎপত্তি আরবি "মসজিদ" থেকে, যার আভিধানিক অর্থ শ্রদ্ধাভরে মাথা অবনত করা অর্থৎ সিজদাহ করা। সাধারণভাবে, যেসব ইমারত বা স্থাপনায় মুসলমানেরা একত্র হয়ে প্রাত্যহিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন, তাকে মসজিদ বলে। আবার যেসব বড় আকারের মসজিদগুলো নিয়মিত নামাজের সাথে সাথে শুক্রবারের জুম'আর নামাজ আদায় হয় এবং অন্যান্য ইসলামিক কার্যাবলী (যেমন: কোরআন শিক্ষা দেওয়া) সম্পাদিত হয়, সেগুলো জামে মসজিদ নামে অভিহিত। ইমাম নামাজের ইমামতি করেন বা নেতৃত্ব দেন। মসজিদ মুসলমানদের বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যাবলীর প্রাণকেন্দ্র। এখানে প্রার্থণা করা ছাড়াও শিক্ষা প্রদান, তথ্য বিতর়ণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। মসজিদের উৎকর্ষের ক্ষেত্রে, সেই সপ্তম শতাব্দির সাদাসিধে খোলা প্রাঙ্গনবিশিষ্ট মসজিদে কাবা বা মসজিদে নববী থেকে বর্তমানে এর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। এখন অনেক মসজিদেরই সুবিশাল গম্বুজ, উঁচু মিনার এবং বৃহদাকার প্রাঙ্গন দেখা যায়। মসজিদের উৎপত্তি আরব উপদ্বীপে হলেও বর্তমানে তা পৃথিবীর সব দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। | মোঃ রফিকুল ইসলাম | সভাপতি | 01722855605 | | দেখুন |